ছবি : কবি হাসানআল আব্দুল্লাহ
অ
অ-তে অশ্বডিম্ব
মানে হলো ফাকিবাজি,
দিলেও কেনো সে ডিম আমি
খেতে তবে হবো রাজি!
আ
আ দিয়ে হয় আরাধনা
মানে হলো নত হওয়া;
সোজা তো নয় মাথা উঁচু
তাল তমালের মতো হওয়া!
ই
ই দিয়ে আজ ইদ লেখা হয়
একাডেমীর নতুন নিয়ম,
ঈদ লিখলে ফিরনি পায়েস
পেতে পারো কিছুটা কম!
ঈ
ঈগল কিন্তু এখনো জানি
মেলছে পাখা দীর্ঘ ঈ-তে
ওরা তো আর ধার ধারে না
গ্রীষ্ম কিবা দারুণ শীতে!
উ
উ দিয়ে ঠিক উড়তে পারি
ঘুরতে পারি সব আকাশে,
উদার হয়ে শুনতে পারি
মেঘের থেকে কি ডাক আসে।
ঊ
দীর্ঘ ঊ তো ঊষার প্রতীক,
কী যে করে ভোরের আগে;
শিশির ভেজা ঘাসের উপর
হয়তো সারা রাত্রি জাগে।
ঋ
গরীব যারা তাদের কি আর
ঋণের কোনো কারণ থাকে?
এই পাড়াতে ঋষি নাকি
মাঝে মাঝে চরণ রাখে।
এ
একুশ মানে আশা এবং
একুশ মানে ভাষা,
তাই তো একুশ চিরটা কাল
আমার ভালবাসা।
ঐ
ঐ যদি যায় ছইয়ের নিচে
বইও তখন পাবে দিশে,
ঐক্য করে থাকবে তারা
সারাবেলা মিলে মিশে।
ও
ও-এর পরে ঠ বসিয়ে
আকার দিলে হয় যে ওঠা,
পুব আকাশে সূর্য উঁকি
দিলেই শুরু তোমার ছোটা।
ঔ
ঔষধ দেয় ডাক্তারেরা
কবিরাজ আর নানী বুড়ি,
এক বসাতে খেতে পারি
রসের পিঠা গণ্ডা কুড়ি।