জন্ম-
৫ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের বিটঘর গ্রাম। সেখানেই লেখক শৈশব কাটিয়ে
নারায়ণগঞ্জে আসেন বাবার হাত ধরে। এখন নারায়ণগঞ্জেই বসবাস। পিতা প্রবোধ
চন্দ্র সাহা একজন বস্ত্র ব্যবসায়ী, মাতা তুলসী রানী সাহা গৃহিনী। দুই বোন
এক ভাইয়ের মধ্যে লেখক দ্বিতীয়।
ছাত্রজীবন
থেকে লেখক বিভিন্ন সাংস্কৃতি কর্মকান্ডে অংশগ্রহনেরর পাশাপাশি সাহিত্য
সংগঠন ও লেখালেখির সাথে জড়িত। তিনি কবিয়াল ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
এবং কবিসংসদ বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সম্পাদক।
বাপ্পি
সাহা বাবার ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি সাহিত্য সংগঠন কবিয়াল ফাউন্ডেশন এর
“কবিয়াল” (কাব্যজনের প্রতিবিম্ব) সাময়িকী সম্পাদনা ও সম্পাদক
ওয়েব সাইড Kabial24.com এর সম্পাদক।
ইতিপূর্বে
তাঁর লেখা রাঙা প্রজাপতির ডানা (কবিতা ২০১৪),ছায়াদ্বীপ (গল্প
২০১৫),স্মৃতির ক্যানভাসে (কবিতা ২০১৬),বিষাদের খেয়া (কবিতা ২০১৭),বাপ্পি
সাহা’র শত কবিতা (কবিতা ২০১৮), সৃষ্টিতার উষ্ণ চুম্বন (উপন্যাস ২০১৯),
“মুখোশের
অন্তরালে” লেখকের সপ্তম গ্রন্থ ও দ্বিতীয় উপন্যাস। তিনি লেখালেখি এবং
সাহিত্য সংগঠন করতে ভালোবাসেন। প্রগতিশীল চেতনা ও বাঙালি জাতিসত্তা ও
মুক্তিযুদ্ধ তাঁর পছন্দের বিষয়। সৃজনশীল ভাবনা কল্পনা সাংস্কৃতিক চর্চা
তাঁর আত্মার খোরাক ও লেখালেখি নেশা। এই নিয়ে তাঁর লেখক জীবন।
“মুখোশের অন্তরালে” একটি উপন্যাস, যতটা কষ্টে গড়ে উঠে জীবন, খুব সহজেই যেন ভেঙ্গে যায়,
ভালো লাগা ক্ষণিকের,
হোক না তাতে কি!
হতেই পারে,
ভালোবাসা যেন না হয় ক্ষণিকের,
তাতে কেবল কষ্টই বাড়ে।
মানুষগুলো ঠিকই বেঁচে থাকে ভালোবাসার মানুষটিকেও ছেড়ে