নাচের মুদ্রা ।। মোশাররফ মাতুব্বর
তুলোর মতো ভেসে বেড়ানো মেঘ,
বাতাসে দোল খায় সাদা কাশফুল।
অতীত ঘরের জানালা দিয়ে দেখি তোর মুখ।
বাতাসের ঠোঁটে বাজে অর্গান;
শিউলি তলায় এখনো কী তোর ঠোঁটে পাতার বাঁশি (?)
স্মৃতিতে ভেসে ওঠে তুমুল বাজানো তোর বাঁশির সুর,
চাঁদের পানশালায় পায়ে বেঁধে নেই নূপুর,
নাচবো বলে, তোকে নাচাবো বলে;
অথচ তুই চাইলি ভায়োলিন!
আমি অভ্যস্থ ছিলাম না অত মাতাল সুরে।
তাই পরিযায়ী পাখির পালকে লিখে দিয়েছি নাচের মুদ্রা।
ভালোবাসারা ও আজকাল কর্পোরেট
পোশাকের আদলে বাণিজ্যিক মহড়া।
রঙিন মার্বেল উৎসব।
ফিরতি পথে পরিযায়ী পাখির দল রেখে যায় বসন্ত মুদ্রা,
আমি নেচে উঠি, রুদ্ধশ্বাসে নগ্ন পায়ে;
ওমা তোর হাতে দেখি বাঁশের বাঁশি।
ঠিক আছে বাজা, পুরানো ঠোঁটে কৈশোর।
বড্ডো বেতাল সুর,মানুষ বাজলে সুর থাকে না;
মেঘ বাজলে মাতাল হয় সব পুর।
