মানিক বৈরাগী । চারটি কবিতা
পারিপার্শ্বিক
আত্মীয় - পরিজন সমাহার সমহারে সরে পড়ে
স্বার্থান্বেষণের মোহে স্বার্থান্ধ আক্রোশে
মানুষের রক্তবীজে জীবনতন্তু তে লক্ষ-কোটি বছর
প্রবহমান ধারা অস্বীকার করি কি করে
গৌতমবুদ্ধ ঠিক বুঝেছিলেন বলে সংসার মোহ ত্যাগী হতে পেরেছিলেন
প্রশ্ন হলো সবাই কি তা পারে
হয়তো মহান জিশুখ্রিস্ট তা আগেই জেনেছিল নবুয়ত প্রাপ্তির আগেই, তবুও তাঁর মহৎকর্ম সঙ্ঘে
একজন জুড়াস ছিল,তাও তিনি জানতেন
বন্ধনের সঙ্ঘ মায়া প্রেম তাকে ছাড়েনি
আত্মপ্রাণ বিষর্জনে নিজেই চিরজাগরুক মহান হলেন
আমি সামান্য কবি, মনবৈরাগী হলেও
রক্তবীজের প্রেমে নিয়ত ধ্বংস হচ্ছি।
সাড়া দাও
পরম প্রিয় শ্রদ্ধেয় চরম আকাঙ্ক্ষার যমদূত
তুমি এসো,অপেক্ষায় রেখোনা আল্লাহর দূত
কতোবার তাড়িয়ে দিয়েছি কলবের হুংকারে
দেহের প্রতিটি ধমনী প্রতিটি শিরা-উপশিরায়
পরম প্রিয় আজরাইল কায়মনোবাক্যে ডাকছি
আদর করে করো প্রাণ হরণ।
নিবেদন
হৈমন্তী ক'দিন রুদ্রস্নানে ভাসিয়ে
হটাৎ বজ্রনিনাদে এসে জড়িয়েছ বৃষ্টি
আচমকা বৃষ্টিবিলাসে আশরীর ভিজেছি
হৈমন্তী তোমার খামখেয়ালি ভালোবাসায়
শীতার্ত করেছ
তপ্তপজ্বরে কাপছি, অথচ নেই পাশে তুমি
দেহের হাড়গোড় মাংসপেশি ব্যথায় কড়কড়ে
এমনই ভরা পূর্ণিমা তিথিতে আমাকে শান্ত করো
হৈমন্তী সুস্থতা স্থিরতা দাও।
ভয়
কমলার কোয়ার মতো টসটসে তাজা
তোয়ার ঠোঁট
দুধে আলতা কি সুন্দরজ্যা তোয়ার মুখ
তোয়ার হথা মনত পইল্লে ভাসে তোয়ার চোখ
কইলজা পুরা কুসুম কুসুম তোয়ার হাসি
সেই হাসির জ্বালায় চোখ যারগই জ্বলি
ক্যানে হইয়ম আঁই তোয়ারে ভালোবাসি।
তোয়ার বদ্দা অইলদে পাড়ার ক্যাডার
লোয়ালক্কড় লই দলবাঁধি চলে রাস্তাঘাড়ে
তোয়ার - আঁর প্রেমর হথা ফুনিলে
গুন্ডা পাঠাই হাতট্যাং দিব ভাঙি
গলাত ঝুলাই পাঠাইব হাসপাতলত।
